🚚 Free delivery on orders above Tk 999 | 🎉 Get extra on first order
সন্তান জন্মদানের পর সহবাস

সন্তান জন্মদানের পর সহবাস

Written by

Published at

November 22, 2025

সন্তান জন্মদানের পর সহবাস

 

সন্তান জন্মের পর সহবাসের সময় ও নিয়ম নির্ভর করে মা ও নবজাতকের সুস্থতার ওপর এবং এর জন্য সাধারণত ৬ সপ্তাহ বা প্রায় দেড় মাস অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এই সময়ে মায়ের শরীর সংবেদনশীল এবং প্রসব-পরবর্তী জটিলতার ঝুঁকি থাকে। যদি সহবাসের প্রয়োজন হয়, তবে তা অবশ্যই একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।তবে এসময় আপনার সঙ্গীর সাথে অন্তরঙ্গ হওয়ার বিষয়েও কিছুটা পরিকল্পনা করা উচিত। নয়তো পরবর্তীতে কষ্টদায়ক ও আনন্দহীন সহবাস আপনার ও আপনার সঙ্গীর মাঝে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

 

কতদিন পর থেকে শুরু করবেন

সন্তান জন্মদানের পর ঠিক কখন থেকে সহবাস করতে হবে এর কোনো ধরা বাঁধা নিয়ম নেই।তবে সাধারণত ডেলিভারির পর ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সহবাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।অধিকাংশ  দম্পতি ডেলিভারির আট সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় সহবাস শুরু করেন।তবে আপনি চাইলে চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর পরই সহবাস শুরু করতে পারেন।সন্তান জন্মদানের পর কখন আপনি মনে করবেন আপনি সহবাসের জন্য তৈরি এটি অনেকটাই আপনার উপর নির্ভর করছে। সদ্য নবজাতকের যত্ন নিয়ে আপনার ক্লান্তিবোধ হতে পারে। ক্লান্তির ফলে অনেকসময় সহবাসের ইচ্ছে আসে না আর।এক্ষেত্রে আপনার শরীর গর্ভধারণ ও ডেলিভারিজনিত পরিবর্তন থেকে সেরে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

 

 সন্তান জন্মদানের পর সহবাস কখন শুরু করা উচিত?

 

সন্তান জন্মদানের পর ঠিক কখন থেকে সহবাস শুরু করতে হবে তার কোনো বাঁধা ধরা নিয়ম নেই।এটি সম্পূর্ণভাবে মায়ের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রস্তুতি এবং প্রসবের ধরনের (স্বাভাবিক প্রসব বা সি-সেকশন) উপর নির্ভর করে।

 

সাধারণ পরামর্শ ও সময়সীমা

  • ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত ডেলিভারির পর কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সহবাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।এই সময় কালকে প্রসবোত্তর রক্তস্রাব বা 'নিফাস'-এর সময়কালও বলা হয়।
  • ৬ সপ্তাহ পরে: বেশিরভাগ দম্পতি ৬ সপ্তাহ পর, অর্থাৎ প্রসবোত্তর প্রথম স্বাস্থ্য পরীক্ষার (Postnatal Check-up) পরে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পুনরায় সহবাস শুরু করেন।এই চেক-আপের সময় ডাক্তার মায়ের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করেন।
  • ব্যক্তিগত প্রস্তুতি: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মা কখন প্রস্তুত অনুভব করছেন। যদি মা শারীরিকভাবে সুস্থ ও মানসিকভাবে স্বচ্ছন্দ না হন, তবে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করা যেতে পারে। অধিকাংশ দম্পতি ডেলিভারির আট সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় সহবাস শুরু করে থাকেন।
  • সংক্রমণের ঝুঁকি: প্রসবের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ সংক্রমণ এবং জটিলতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। ৬ সপ্তাহ অপেক্ষা করলে যোনিপথের রক্তপাত (লোচিয়া) বন্ধ হয়, জরায়ুর মুখ বন্ধ হয় এবংপ্রসবের সময় হওয়া যেকোনো ক্ষত বা সেলাই (যেমন এপিসিওটমি বা যোনিপথের ছেঁড়া) সেরে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।

 

শারীরিক সেরে ওঠা

  • স্বাভাবিক প্রসব (Vaginal Delivery): যদি যোনিপথ বা পেরিনিয়ামে সেলাই লাগে, তবে ক্ষত পুরোপুরি সেরে না ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।এর জন্য ৬ সপ্তাহের বেশি সময় লাগতে পারে।

সি-সেকশন (C-Section): সি-সেকশনের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকরা সাধারণত ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন,যদিও যোনিপথে কোনো আঘাত থাকে না।কারণ,এই সময়ে পেটের সেলাই এবং জরায়ু পুরোপুরি সুস্থ হওয়া প্রয়োজন।

 

সহবাসের ওপর সন্তান জন্মদানের প্রভাব

প্রথমবার সন্তান জন্মদানের তিনমাস পর্যন্ত সহবাস করতে গেলে আপনার বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। তবে সময়ের সাথে সাথে সব ঠিকও হয়ে যায়। প্রায় ছয় মাসের মধ্যেই সব সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। ডেলিভারির পর পর সহবাস করতে গেলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন—

১. যোনিপথ বা যৌনাঙ্গ শুষ্ক হয়ে যাওয়া

ডেলিভারির পর হরমোনের তারতম্যের কারণে আপনার যৌনাঙ্গ বা যোনিপথ বেশ শুষ্ক অনুভূত হতে পারে। যোনিপথ বা যৌনাঙ্গ শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় সহবাসের সময় আপনার ব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব মায়েরা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যাটি বেশি হতে পারে।কারণ তাদের ক্ষেত্রে মেয়েদের সেক্স হরমোন ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ অনেক কমে যায়। এ ইস্ট্রোজেন হরমোনই যোনিপথের প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট নির্গত করতে কাজ করে।

২. যোনিপথের ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া

সিজারিয়ান সেকশনের ফলে এবং হরমোনাল কারণে আপনার যোনিপথের ত্বক পাতলা হয়ে যেতে পারে। এর ফলে সহবাসের সময় আপনার যোনিপথ ছিঁড়ে যাওয়ার প্রবণতা হতে পারে।

৩. যোনিপথের পেশীর স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়া

আপনার যদি নরমাল, অর্থাৎ ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি হয়, সেক্ষেত্রে আপনার ডেলিভারির সময় যোনিপথের পেশিগুলো অনেক প্রসারিত হয়ে যায়। এসব পেশির স্থিতিস্থাপকতা কমে আসে। এতে করেও আপনার সহবাসের সময় অস্বস্তি হতে পারে।

৪. দুর্বল লাগা ও যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া

সন্তান জন্মদানের পর নবজাতকের যত্ন করতে গিয়ে অনেক মা সঠিকভাবে ঘুমানো এবং বিশ্রামের সুযোগ পান না। এতে করে ক্লান্তি থেকে আপনার দুর্বল লাগতে পারে এবং এটি আপনার যৌন ইচ্ছাকেও প্রভাবিত করতে পারে।

৫. এপিসিওটমি ও সিজারের ফলে কাটাছেঁড়া থেকে ব্যথা হওয়া

আপনার এপিসিওটমি অথবা সিজারিয়ান সেকশন করা হলে ক্ষতস্থানের ব্যথার কারণে সহবাসের প্রতি ভীতি তৈরি হতে পারে। আবার নরমাল ডেলিভারি হলে আপনার যৌনাঙ্গ ও যোনিপথে ক্ষত থাকতে পারে। এটিও আপনার সহবাসকে প্রভাবিত করতে পারে।

৬. পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন

সন্তান জন্মদানের পর আপনার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন হয়। ডেলিভারির পর পরই গর্ভাবস্থার আগের সময়ের মতো শারীরিক গঠন পুরোপুরি ফিরে আসেনা। এমনকি ফিরে আসলেও সেটি বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অনেক মা মনে করে থাকেন তার সঙ্গীর হয়তো তাকে আর আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে না। এর ফলে অনেকে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনে ভুগেন। এটিও আপনার সহবাসকে প্রভাবিত করতে পারে।

 

আপনার পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশনের কারণে নিচের লক্ষণগুলো দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন—

 

  • ভয়াবহ মুড সুইং
  • খাবারে অরুচি
  • অনেক বেশি ক্লান্তি

নিজের বা সন্তানের ক্ষতি করার চিন্তা ও প্রবণতা

 

প্রসব পরবর্তী সহবাসে যেসব সমস্যা হতে পারে

 

সন্তান জন্মদানের পর প্রথম দিকে সহবাস কিছুটা ভিন্ন বা অস্বস্তিকর লাগতে পারে। এর প্রধান কারণগুলি হলো:

১. ব্যথা বা অস্বস্তি

  • ক্ষত বা সেলাই: প্রসবের সময় হওয়া সেলাই বা ক্ষত (যেমন: এপিসিওটমি) পুরোপুরি সেরে না উঠলে সহবাসের সময় ব্যথা হতে পারে। এমনকি সি-সেকশনের ক্ষেত্রেও কিছু অবস্থানে অস্বস্তি হতে পারে।
  • যোনিপথের শুষ্কতা (Vaginal Dryness): স্তন্যপান করানো মায়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কম থাকে। এর ফলে যোনিপথ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শুষ্ক থাকতে পারে, যার কারণে সহবাসের সময় জ্বালা বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
  • পেলভিক পেশির দুর্বলতা: প্রসবের কারণে পেলভিক ফ্লোর পেশিগুলি প্রসারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা প্রথম দিকে অস্বস্তি বা ভিন্ন অনুভূতি দিতে পারে।

 

২. যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া (Decreased Libido)

  • হরমোনের পরিবর্তন: প্রসবের পর হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করে, যা যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে।
  • ক্লান্তি ও ঘুম: নতুন শিশুর যত্নের জন্য মায়েদের প্রচুর ঘুম কম হয় এবং তাঁরা প্রচণ্ড ক্লান্ত থাকেন। এই ক্লান্তি যৌন মিলনের ইচ্ছা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
  • মানসিক চাপ: মাতৃত্বের নতুন দায়িত্ব, শারীরিক পরিবর্তন এবং প্রসবোত্তর বিষণ্নতার কারণেও যৌন আগ্রহ কমতে পারে।

 

সন্তান জন্ম হওয়ার কতদিন পর থেকে যৌন সহবাস করা উচিত? জেনে নিন

মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার পরে যৌনতা, গর্ভাবস্থার আগের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায়ই, মহিলাদের শরীরে প্রসবের পর নানান পরিবর্তনের ফলে, যেমন - ব্যথা, যৌনাঙ্গ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, রক্তপাত এবং ক্ষতর কারণে, পরিস্থিতি অত্যন্ত চাপজনক হয়ে ওঠে।


 

এছাড়াও, শারীরিক সমস্যা এবং শিশুর যত্নে ব্যস্ত হয়ে পড়ার কারণে, অনেক দম্পতিই সঙ্গীর সাথে পুনরায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার সঠিক সময় ঠিক করতে পারে না। তাই, যদি আপনার সবেমাত্র সন্তান হয় তাহলে, প্রসবের পরে যৌনতা সম্পর্কে আপনার কয়েকটি বিষয় জানা উচিত যা এখানে দেওয়া হল।


 

সন্তানের জন্মের পর কত তাড়াতাড়ি আপনি সেক্স করতে পারবেন? সন্তানের জন্মের কতদিন পর থেকে আপনি যৌনজীবন শুরু করতে পারবেন তা নিয়ে ধরাবাঁধা কোন নিয়ম নেই; তবে, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা প্রসবের পরে, নর্মাল বা সিজারিয়ান সর্বক্ষেত্রেই প্রায় চার থেকে ছয় সপ্তাহ ব্যবধানের পরামর্শ দেন। কারণ, সন্তান প্রসবের পর (বিশেষত সিজারিয়ান), একজন মহিলা, যোনি রক্তক্ষরণ, পেরিনিয়াল টিয়ার বা এপিসিওটমির মতো সমস্যায় ভোগেন যা, নিরাময় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে প্রায় এক মাস সময় নেয়। এছাড়াও, সন্তানের জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সহবাস করলে জরায়ুতে সংক্রমণ বা রক্তক্ষরণ হতে পারে।


 

একটি গবেষণা অনুসারে, প্রায় ৮৩ শতাংশ মহিলারা প্রসবের পরে প্রথম তিন মাস যৌন সমস্যার মুখোমুখি হন। গর্ভাবস্থার পরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা হ্রাস হওয়া এবং স্তন্যপান করানোর কারণে যোনি শুকনো, ব্যথা, রক্তপাত, যৌন শক্তি হ্রাস, যোনি স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস, ক্ষত এবং আরও অনেক সাধারণ সমস্যার মুখোমুখি হয় তারা। এছাড়াও মনে রাখবেন, আপনি যদি সন্তানের জন্মের পর সহবাস শুরু করেন তবে, আপনার পুনরায় গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা উচিত কারণ, প্রথম প্রসবের পর আবার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি থাকে।


 

প্রসবের পর পরিবর্তনগুলি, আপনার যৌন জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে বাচ্চা হওয়ার পরে, এমন অনেকগুলি বিষয় রয়েছে যা আপনার যৌনজীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রসবের পরে কীভাবে যৌনতা প্রভাবিত হতে পারে তার কয়েকটি দিক -


 ক) যোনি ছিন্ন হওয়ার কারণে অস্বস্তি বোধ হতে পারে

 খ) আলগা যোনি 

গ) পেশী দুর্বল হওয়ার কারণে যৌন মিলনের সময় প্রস্রাব করা 

ঘ) প্রসবের সময় স্নায়ুর আঘাতের কারণে যোনি এলাকায় সংবেদন বা অনুভব কম হয়।

 ঙ) শিশুকে স্তন্যপান করানোর কারণে যৌন ইচ্ছা হ্রাস পাওয়া। 

চ) রুক্ষ জরায়ুর কারণে হালকা রক্তপাত হওয়া। 

ছ) যৌনতায় হতাশা


প্রসবের পর যৌন মিলনের স্বাস্থ্যকর টিপস্ ধীরে ধীরে শুরু করুন : প্রথমেই অতিরিক্ত উত্তেজনা দেওয়ার বদলে, আস্তে আস্তে এটি শুরু করুন। তাহলে, যৌনতার সময় কোনও ব্যথা হবে না। আপনার শরীরের যত্ন নিন : প্রসব, প্রত্যেক মহিলার জন্যই খুব কষ্টকর। আর, সন্তান জন্মের পরেই একজন মহিলার দায়িত্ব শেষ হয় না কারণ, তাকে তার সন্তানের প্রকৃত যত্ন নিতে অনেক লড়াই করতে হয়। এই অবস্থায়, আপনার শরীরকে রিল্যাক্স করতে এবং আপনার সেক্স লাইফ ঠিক করতে এইসময় স্পা বা ম্যাসাজ হল সেরা উপায়। কেগেল এক্সারসাইজ : এই এক্সারসাইজটি প্রসব সম্পর্কিত অনেক সমস্যা নিরাময় করতে পরিচিত। এটি পেলভিক পেশী শক্তিশালী করতে, যোনি শক্ত এবং সংবেদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। লুব্রিক্যান্ট : ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কম হওয়ার কারণে প্রসবের পরে মহিলাদের যোনি শুষ্ক হয়ে যাওযা সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। তাই, প্রায়ই সহবাসের সময় ব্যথা হয়। সুতরাং, লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করার চেষ্টা করুন কারণ, এটি আপনার জন্য আরামদায়ক হবে এবং যৌন ক্রিয়াকলাপের সময় কোনও ব্যথার অনুভূতি হবে না।

 

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি

ডেলিভারির পর সহবাস করার সময় আপনার যে বিষয়টি নিয়ে না ভাবলেই নয়, সেটি হলো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।

সন্তান জন্মদানের পর পরই আপনি পুনরায় গর্ভধারণ করে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে দুই সন্তানের মাঝের বিরতি ১৮ মাসের কম বা ৫৯ মাসের বেশি হলে আপনার গর্ভধারণজনিত বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।তাই বিশেষজ্ঞ মতে, একবার প্রসবের পর পুনরায় গর্ভধারণের আগে কমপক্ষে ১৮ মাস অপেক্ষা করা উচিত।

কাজেই দুই সন্তানের মাঝে কমপক্ষে ১৮ মাস সময় নিন এবং সন্তান জন্মদানের পর প্রতিবার সহবাসের সময় যেকোনো একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।


 জন্মনিয়ন্ত্রণ: দ্বিতীয়বার গর্ভধারণের ঝুঁকি

সন্তান জন্মদানের পর সহবাস শুরু করার আগে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই মনে করেন স্তন্যপান করালে বা মাসিক শুরু না হলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা নেই, কিন্তু এই ধারণাটি ভুল।

  • গর্ভাবস্থার সম্ভাবনা: সন্তান জন্মদানের ৩ সপ্তাহ পর থেকেই আপনি আবার গর্ভবতী হতে পারেন, এমনকি আপনার মাসিক শুরু না হলেও।
  • বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একবার প্রসবের পর পুনরায় গর্ভধারণের আগে কমপক্ষে ১৮ মাস অপেক্ষা করা উচিত। এই সময়টুকু দিলে মায়ের শরীর সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হওয়ার সুযোগ পায়।
  • উপযোগী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি: প্রসবের পর যে সকল জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে:

কনডম (পুরুষ ও মহিলা)

ইমপ্ল্যান্ট (Implant)

ইনজেকশন (Injection)

প্রোজেস্টোজেন-অনলি পিল (Progestogen-only pill বা মিনিপিল)

স্তনপান করালে কম্বাইন্ড পিল (Combined Pill) বা প্যাচ ব্যবহারের আগে কমপক্ষে ৬ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলা হয়। সঠিক পদ্ধতির জন্য আপনার চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।

 

সন্তান জন্মদানের পর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা আবার শুরু করা একটি যাত্রা, যেখানে ধৈর্য, বোঝাপড়া এবং খোলামেলা আলোচনা খুবই জরুরি। আপনার সঙ্গী এবং আপনার সুবিধার কথা মাথায় রেখে নিজেদের গতিতে এগিয়ে যান।


 




 



 

 


 


 


 


 


 


 


 


 

 

 


 



 


 


 

Thank you for reading!
0 items
BDT 0

Login