🚚 Free delivery on orders above Tk 999 | 🎉 Get extra on first order
গর্ভধারণের ৩৬তম সপ্তাহ

গর্ভধারণের ৩৬তম সপ্তাহ

Written by

Published at

November 25, 2025

গর্ভধারণের ৩৬তম সপ্তাহ

 

গর্ভধারণের ৩৬তম সপ্তাহটি গর্ভাবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যা তৃতীয় ত্রৈমাসিকের প্রায় শেষ। গর্ভাবস্থার ৩৬তম সপ্তাহে আপনার শিশুর আকার যথেষ্ট বড় হয়ে গেছে এবং সে সম্ভবত প্রসবের জন্য পেলভিসে মাথা নিচু করে প্রস্তুত (বা 'engage') হতে শুরু করেছে। যদিও প্রসব যেকোনো সময় হতে পারে, তবে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহের মধ্যে হওয়া নিরাপদ বলে মনে করা হয়। এই সময়ে, শিশু আরও বড় হওয়ার কারণে তার নড়াচড়া কিছুটা কমে যেতে পারে, তবে আপনি এখনও তার নড়াচড়া অনুভব করবেন এবং এর নিয়মিততা সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এই সপ্তাহে আপনার নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। 


গর্ভধারণের ৩৬তম সপ্তাহটি গর্ভাবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যা তৃতীয় ত্রৈমাসিকের প্রায় শেষ। এই সময়ে আপনার এবং আপনার শিশুর মধ্যে নিম্নলিখিত পরিবর্তন ও লক্ষণগুলি দেখা যেতে পারে:

 

 শিশুর বিকাশ (Baby's Development)

 

  • ফুসফুসের পরিপক্কতা: এই সপ্তাহে শিশুর ফুসফুস সম্ভবত বাইরের পরিবেশের জন্য যথেষ্ট পরিপক্ক হয়ে যায়।
  • ওজন ও দৈর্ঘ্য: শিশু এখন প্রায় একটি নাশপাতি বা বড় তরমুজের আকারের হতে পারে এবং ওজন প্রায় ৬ পাউন্ড (প্রায় ২.৭ কেজি) বা তার বেশি হতে পারে।
  • অবস্থান পরিবর্তন: বেশিরভাগ শিশুর মাথা এখন নীচের দিকে (head-down) শ্রোণীর দিকে নেমে আসতে শুরু করে, যা প্রসবের জন্য আদর্শ অবস্থান। একে "এঙ্গেজমেন্ট" বা "ড্রপিং" বলা হয়।
  • চর্বি জমা: শিশুর ত্বক মসৃণ হচ্ছে এবং শরীরে চর্বি জমার প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে চলছে, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
  • ভারনিক্স (Vernix) ও লানুগো (Lanugo): শিশুর ত্বকের সুরক্ষাকারী সাদা স্তর 'ভারনিক্স' এবং সূক্ষ্ম লোম 'লানুগো' ঝরে যেতে শুরু করে। শিশু এগুলো হজম করে এবং এগুলো তার প্রথম মল, মিকোনিয়াম গঠনে সাহায্য করে।


     মায়ের শারীরিক পরিবর্তন ও লক্ষণ (Mother's Changes and Symptoms)

     

  • নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে স্বস্তি: শিশুর মাথা শ্রোণীতে নেমে আসার কারণে পেটের উপরের অংশে চাপ কমে যায়, ফলে নিঃশ্বাস নিতে কিছুটা স্বস্তি বোধ করতে পারেন।
  • শ্রোণীতে চাপ বৃদ্ধি: শিশুর নেমে যাওয়ার কারণে মূত্রাশয় এবং শ্রোণী অঞ্চলে চাপ বৃদ্ধি পায়, ফলে ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রয়োজন হতে পারে এবং কোমরে ব্যথা অনুভব হতে পারে।
  • ব্র্যাক্সটন হিক্স সংকোচন (Braxton Hicks Contractions): জরায়ুতে মৃদু ও অনিয়মিত সংকোচন অনুভব হতে পারে, যা আসল প্রসব বেদনা নয়। এটি শরীরকে প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে।
  • যোনি স্রাব ও শ্লেষ্মা প্লাগ: যোনি স্রাবের পরিমাণ বাড়তে পারে। শ্লেষ্মা প্লাগ (Mucus Plug) যদি বেরিয়ে আসে (যা আঠালো, জেলির মতো বা রক্তমিশ্রিত হতে পারে), তা প্রসবের একটি প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে প্রসব অবিলম্বে শুরু হবে।
  • ঘুমের সমস্যা: অস্বস্তি, ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

 

করণীয় বিষয় (Things to Do)

 

  • ডাক্তারের পরামর্শ: এই সময়ে ডাক্তারের কাছে নিয়মিত চেক-আপ করা জরুরি। ডাক্তার শিশুর অবস্থান এবং আপনার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করবেন।
  • হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাগ গোছানো: হাসপাতালে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা উচিত, কারণ এখন যেকোনো সময় প্রসব শুরু হতে পারে।
  • প্রসবের লক্ষণ: প্রসবের আসল লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকুন (যেমন: নিয়মিত ও তীব্র সংকোচন, , পানি  ভাঙা বা অ্যামনিওটিক ফ্লুইড বের হওয়া, রক্তপাত)।
  • বিশ্রাম: পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং রিলাক্স থাকার চেষ্টা করুন।
  • পর্যাপ্ত পানীয়: ডিহাইড্রেশন এড়াতে প্রচুর পরিমাণে , পানি পান করুন।

     

যদি আপনার পানি  ভেঙে যায়, তীব্র রক্তপাত হয় বা নিয়মিত ও তীব্র সংকোচন শুরু হয়, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।


৩৬ সপ্তাহে বাচ্চার বিকাশ (36 Weeks Baby Development)

 

৩৬ সপ্তাহে বাচ্চাটি ফুল টার্ম (পূর্ণকাল) হওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়

 

  • দৈর্ঘ্য ও ওজন: এই সপ্তাহে বাচ্চাটির দৈর্ঘ্য মাথা থেকে গোড়ালি পর্যন্ত প্রায় ৪৭-৪৮ সেন্টিমিটার (প্রায় ১৯ ইঞ্চি) হতে পারে এবং ওজন প্রায় ২.৫ থেকে ২.৭ কিলোগ্রাম (প্রায় ৬ পাউন্ড) বা তার আশেপাশে হতে পারে। এই সময় বাচ্চা প্রতিদিন প্রায় ২৮ গ্রাম (১ আউন্স) করে ওজন বাড়াতে থাকে।
  • চর্বি সঞ্চয়: বাচ্চা প্রচুর চর্বি সঞ্চয় করে চলেছে, যা তাকে জন্ম নেওয়ার পর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। এই চর্বির স্তর তাকে গোলাকার এবং চর্বিযুক্ত (chubby) দেখাচ্ছে।
  • অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ: বেশিরভাগ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রায় সম্পূর্ণ তৈরি। হজমতন্ত্র স্তনদুগ্ধ বা ফর্মুলা হজম করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ফুসফুস দ্রুত পরিপক্ক হচ্ছে এবং সাধারণত এই সপ্তাহে জন্মালে বাচ্চা বাইরে শ্বাস নিতে সক্ষম হয়।
  • হাড়: মাথার খুলি ছাড়া বাচ্চার অন্য সব হাড় শক্ত হয়ে গেছে। মাথার খুলির হাড়গুলি এখনও নরম এবং ফিউজড হয়নি, যা জন্মের সময় প্রসব পথে সহজে বেরোনোর জন্য নমনীয়তা দেয়।
  • প্রথম মল (Mecconium): বাচ্চার অন্ত্রে এখন মেকোনিয়াম (প্রথম মল) জমা হতে শুরু করেছে।

     

🧘 বাচ্চার অবস্থান

 

  • এই সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চা মাথা নিচের দিকে করে (cephalic presentation) শ্রোণীর (pelvis) দিকে নেমে আসে, যা প্রসবের জন্য আদর্শ অবস্থান।
  • গর্ভে এখন বাচ্চার নড়াচড়ার জন্য জায়গা কম, তাই সে হয়তো আগের মতো কসরত দেখাতে পারে না, তবে তার নড়াচড়া অনুভব করা উচিত। নড়াচড়ার পরিমাণ বা ধরনে কোনো পরিবর্তন দেখলে অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।

     

এই তথ্যগুলি সাধারণ নির্দেশিকা মাত্র। প্রতিটি বাচ্চার বৃদ্ধি ভিন্ন হতে পারে। আপনার বাচ্চার নির্দিষ্ট বিকাশ এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানতে আপনার ডাক্তার বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর (healthcare provider) সাথে পরামর্শ করা সবচেয়ে ভালো।

 

৩৬ সপ্তাহে মায়ের শরীর

 

গর্ভের শিশু বেড়ে ওঠার কারণে আপনাকে অতিরিক্ত ওজন বহন করতে হচ্ছে। তাই এসময়ে ক্লান্ত লাগা খুব স্বাভাবিক।

 

আলট্রাসনোগ্রাম ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা

 

সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩৬তম–৩৮তম সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করাতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এসব পরীক্ষার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাখবেন।এবারের আলট্রাসনোগ্রাম থেকে গর্ভের শিশুর অবস্থান, গর্ভফুলের অবস্থান, এমনিয়োটিক ফ্লুইড বা শিশুকে ঘিরে থাকা তরলের পরিমাণসহ অনেক কিছু জানা যাবে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা করানোর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।

 

স্তনের বোঁটায় ব্যথা

 

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহে স্তনের বোঁটায় ব্যথা করতে পারে। বুকের দুধ খাওয়াতে থাকলে সাধারণত ব্যথাটা ধীরে ধীরে চলে যায়।ব্যথা কমানোর জন্য কয়েকটা কাজ করতে পারেন। প্রতিবার খাওয়ানো শেষে একটুখানি বুকের দুধ চেপে বের করে সেটা স্তনের বোঁটায় লাগাতে পারেন। স্তনের বোঁটা থেকে স্তনের বাকি অংশে ব্যথা ছড়ালে হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন।এসবের পাশাপাশি খেয়াল রাখবেন বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ে শিশুর মুখের ভেতর যেন শুধুমাত্র স্তনের বোঁটা না থাকে। শিশু মুখ বড় করে হা করে স্তনের বোঁটাসহ বোঁটার আশেপাশের কালো অংশও মুখের ভেতর নিলে স্তনের বোঁটায় ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।

 

ঘর গোছগাছ করা

 

এসময়ে এসে আপনার ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। তবে এর মধ্যেই আপনার হঠাৎ করে গায়ে বেশ শক্তি আছে বলে মনে হতে পারে, পুরোদমে ঘর-বাড়ি গোছানোর ইচ্ছা জাগতে পারে ছোট্টমণির জন্য কিনে রাখা জামাকাপড় এখনই ভাঁজ করতে হবে কিংবা অনেক বছর ধরে অগোছালো কোনো ড্রয়ার বা আলমারি এই মুহূর্তেই পরিষ্কার করতে হবে—এমন তাড়না অনুভব করতে পারেন।অনেক হবু মা-ই এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান।নতুন শিশুকে স্বাগত জানানোর জন্য একটা স্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টির ইচ্ছা থেকে এমন হতে পারে। আপনি একা একা অতিরিক্ত পরিশ্রম না করে ঘর গোছানোর কাজগুলো বাসার সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারেন।

 

গর্ভের শিশুকে ঘুরিয়ে মাথা নিচের দিকে আনা


আপনার শিশু হয়তো ইতোমধ্যে তলপেটের গভীরে মাথা ঢুকিয়ে প্রসবের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। তবে শিশুর মাথা যদি নিচের দিকে না থাকে, তাহলে ডাক্তার একটা বিশেষ পদ্ধতিতে শিশুর অবস্থান পরিবর্তন করার পরামর্শ দিতে পারেন। এই পদ্ধতিকে ডাক্তারি ভাষায় ‘এক্সটারনাল সেফালিক ভার্সন’ বলা হয়। সাধারণত ৩৭তম সপ্তাহ পূর্ণ হবার পর প্রয়োজনে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।এই পদ্ধতির মাধ্যমে ডাক্তার পেটে বিশেষ পদ্ধতিতে আলতোভাবে চাপ দিয়ে গর্ভের শিশুকে ঘোরানোর চেষ্টা করেন। এভাবে শিশুর মাথা নিচে ও পশ্চাৎদেশ ওপরে—এমন অবস্থানে আনার চেষ্টা করা হয়। কারণ এটাই নরমাল ডেলিভারির জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থান।এই বিশেষ পদ্ধতি প্রায় ৫০% ক্ষেত্রে সফল হয়।

 

  • বাচ্চার নীচে নেমে আসা (Lightening): এই সময়ে বাচ্চা আপনার শ্রোণী (pelvis) অঞ্চলে আরও নীচে নেমে আসতে পারে। এর ফলে আপনার শ্বাস নেওয়া কিছুটা সহজ হতে পারে, কিন্তু তলপেটে চাপ বেড়ে যায়।


 প্রসবের কাছাকাছি আসার লক্ষণ:

 

 ব্র্যাক্সটন হিকস সংকোচন (Braxton Hicks Contractions): এই 'অনুশীলন সংকোচন'গুলো আরও ঘন ঘন এবং জোরালো হতে পারে, যা সত্যিকারের প্রসবের ব্যথার মতো অনুভূত হতে পারে।

শ্লেষ্মা প্লাগ (Mucus Plug) ক্ষরণ: জরায়ুর মুখ থেকে আঠালো শ্লেষ্মার একটি পিণ্ড বেরিয়ে আসতে পারে, যা প্রসব শুরু হওয়ার একটি লক্ষণ হতে পারে। এটি সামান্য রক্তাভও হতে পারে, যাকে "শো" (Show) বলা হয়।


 

  •  পা এবং গোড়ালি ফোলা (Swollen Hands and Feet): এই সময়ে ফোলা বা এডিমা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে হঠাৎ বা গুরুতর ফোলা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
  •  ঘন ঘন প্রস্রাব: বাচ্চার মাথা শ্রোণীতে নামার কারণে মূত্রাশয়ে চাপ বাড়ে, ফলে বারবার প্রস্রাব করার প্রয়োজন হয়।
  • ঘুমের সমস্যা: পেটের আকার বড় হওয়ার কারণে আরামদায়ক অবস্থান খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে, ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
  • বুক জ্বালা এবং বদহজম: জরায়ু বেড়ে যাওয়ার কারণে পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়লে বুক জ্বালা এবং বদহজম হতে পারে।
  • পিঠ এবং শ্রোণীর ব্যথা (Backache and Pelvic Pain): শরীরের জয়েন্টগুলো প্রসবের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কারণে এবং বাচ্চার ওজন বৃদ্ধির কারণে পিঠে ও শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা অনুভব করতে পারেন।
  • নিদ্রাহীনতা এবং ক্লান্তি: শেষ সপ্তাহে এসে শারীরিক ও মানসিক চাপ বাড়ে, ফলে ক্লান্তি অনুভব করা স্বাভাবিক।
  • প্রস্রাব বা মলত্যাগের বেগ: বাচ্চার চাপ বাড়ার কারণে মলত্যাগের বা বাথরুম যাওয়ার তাগিদ বাড়তে পারে।

 

গুরুত্বপূর্ণ কথা:

 

  • প্রসবের নিশ্চিত লক্ষণগুলো যেমন— নিয়মিত, শক্তিশালী এবং ক্রমবর্ধমান সংকোচন, জল ভাঙা (rupture of membranes), অথবা যোনিপথে রক্তপাত দেখা দিলে অবিলম্বে আপনার চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করুন।
  • বাচ্চার নড়াচড়া কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

আপনার বা আপনার পরিচিত কারও যদি এই সময়ে কোনো গুরুতর বা অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের সাথে কথা বলা জরুরি।

 

 

এ সপ্তাহে বাবার করণীয়

রক্ত পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রামের কথা মনে করিয়ে দিন

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে শিশুর মাকে শেষবারের মতো রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করাতে হবে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষাগুলোর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাখার কথা মনে করিয়ে দিন। আগামী দিনগুলোতে, অর্থাৎ ৩৬তম সপ্তাহ থেকে প্রসবের আগ পর্যন্ত সপ্তাহে একবার করে সঙ্গীর চেকআপে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখুন।

 

Thank you for reading!
0 items
BDT 0

Login